
রিয়া গিরি,মানুষের মতামত:সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুদের হাতে ইরানের মাছ ধরার জাহাজ অপহৃত। বাণিজ্যিক জাহাজেও হামলার আশঙ্কা, ভারত মহাসাগরের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
ভারত মহাসাগর ও সংলগ্ন সামুদ্রিক বাণিজ্যপথে ফের জলদস্যুদের তৎপরতা ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় সোমালিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলে ‘আজিনি’ নামে একটি ইরানি মাছ ধরার জাহাজ ছিনতাই করেছে জলদস্যুরা। গত ২৯ অক্টোবরের এই ঘটনায় জাহাজে থাকা ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২১ জন ইরানি নাবিক এবং দু’জন সোমালি নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন। ১২ জন জলদস্যু এই অপহরণে জড়িত বলে জানা গিয়েছে।
মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার ইন্ডিয়ান ওশান সতর্ক করেছে,অপহৃত জাহাজটিকে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ভাসমান ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে দুষ্কৃতীরা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌবাহিনীর অপারেশন আটলান্টা ইতিমধ্যেই ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সোমালিয়ার উপকূল, গালফ অব এডেন এবং সংলগ্ন বাণিজ্যপথে জলদস্যুদের সক্রিয়তা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের খরচ বাড়াতে পারে। জাহাজের নিরাপত্তা বিমা, পণ্য পরিবহণের খরচ এবং যাত্রাপথ পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব বাণিজ্যে।
ভারতের মতো আমদানি-রফতানি নির্ভর দেশের কাছেও এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারত মহাসাগর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহণের অন্যতম প্রধান পথ। ফলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে আন্তর্জাতিক দেশগুলির মধ্যে নজরদারি ও সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি হয়ে উঠেছে।
