১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের মহাসমাবেশ। রাহুল গান্ধীর ঐক্যের আহ্বানের পর কলকাতা, মুম্বই,লখনউ ও বেঙ্গালুরুতে সমাবেশের পরিকল্পনা।বাংলায় মমতা,কংগ্রেস ও বামেদের এক মঞ্চে আসা নিয়ে জল্পনা।
দিলীপ চট্টোপাধ্যায় মানুষের মতামত:১লা নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট ও তার শরিক দলগুলির মহাসমাবেশ এবং র্যালির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। ককোরজ জনতা পার্টি ইতোমধ্যেই এই মহাসমাবেশ ও র্যালিকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দেশের সমস্ত যুব ও ছাত্র সংগঠনকে নিজেদের রাজনৈতিক ও আদর্শগত মতভেদ ভুলে এই সমাবেশ সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন,“ভারতীয় জনতা পার্টি আজ দেশের সংবিধানকে ধ্বংস করতে চাইছে,অচল করে দিতে চাইছে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা। তাই বিজেপিকে প্রতিরোধ করার জন্য সবাইকে এক মঞ্চে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” এদিকে, ১লা নভেম্বর রামলীলা ময়দানের কর্মসূচি সম্পন্ন করার পর দেশের আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে মহাসমাবেশ ও র্যালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিয়া জোট। এর মধ্যে কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু ছাড়াও রয়েছে কলকাতা, লখনউ এবং মুম্বই।নীতিগতভাবে এই শহরগুলিতে কর্মসূচি আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলকাতায় ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস নেতৃত্ব,অতিবাম শিবির এবং সিপিআই(এম)-কে একই মঞ্চে একসঙ্গে দেখা যেতে পারে। কংগ্রেস যে পশ্চিমবঙ্গে সিপিএম, অতিবাম জোট এবং তৃণমূলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিজেপি-বিরোধী ফ্রন্ট গঠনে অত্যন্ত আগ্রহী, তা তারা গোপন রাখছে না। কংগ্রেস হাইকমান্ড সারা দেশজুড়েই বাম,অতিবাম, বিজেপি-বিরোধী আঞ্চলিক দল এবং অন্যান্য শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে এক বৃহৎ মহাজোটের রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
