ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ ও অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলল বিজেপি। জর্জ সোরোস, এলন মাস্ক ও নেভিল রায় সিংহামকে ঘিরে বিতর্ক। দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি।
নিজস্ব প্রতিবেদক, মানুষের মতামত:দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বিনষ্ট করার লক্ষ্যে বিরোধী শিবির এবং বিদেশী প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে ময়দানে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অভিযোগ, একদিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট এবং অন্যদিকে ককরোজ জনতা পার্টি (সিজেপি)—এই উভয় রাজনৈতিক পক্ষকে অনুঘটক হিসেবে ব্যবহার করে বিদেশী শক্তিসমূহ ভারতের অভ্যন্তরে নৈরাজ্যময় পরিস্থিতি তৈরি করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই ইস্যুতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ও প্রতিবাদের ঝড় তুলতে রাজ্যজুড়ে রাজপথে বৃহৎ আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করেছে শাসকদল।
বিজেপি একাধিক শীর্ষ নেতা সম্প্রতি সরাসরি নিশানা করেছেন মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোস, স্টারলিংক ও এক্স-এর মালিক এলন মাস্ক এবং চীনের হয়ে প্রোপাগান্ডা চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নেভিল রায় সিংহামকে। বিজেপির দাবি, ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও শাসনব্যবস্থায় অস্থিরতা ছড়াতে এই আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা বিপুল পরিমাণ অর্থ সংস্থান করছেন। তাদের প্রভাবে বিরোধী দলগুলি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
যদিও এই ধরণের আর্থিক কারসাজি ও অর্থ যোগানের স্বপক্ষে শাসকদল কিংবা তাদের শাখা সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত সর্বসমক্ষে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা দাপ্তরিক নথিপত্র পেশ করা হয়নি।তা সত্ত্বেও, এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে সুর চড়াচ্ছে বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা পিছপা হবে না এবং বিদেশী অর্থে পরিচালিত এই তথাকথিত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শীঘ্রই দিল্লি সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল শুরু করা হবে।
