২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং ২০২৭-২৮ সালের একাধিক বিধানসভা নির্বাচনের আগে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে ফের জাতীয় স্তরে বিতর্কের দাবি উঠেছে। সংঘের মুখপাত্রের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।
দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:২৯-র লোকসভা নির্বাচন এবং তার আগে ২৭ ও ২৮-এ একাধিক রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে নতুন করে বিতর্কিত ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অব সিটিজেন্স (এনআরসি) নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধতে চলেছে।রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) মুখপাত্র সুনীল আম্বেদকর সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তারা চান এই বিষয়টি নিয়ে জাতীয় স্তরে নতুন করে বিতর্ক হোক।
সুনীল আম্বেদকরের বক্তব্য, ভারতভাগের পর পাকিস্তান,বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মতো রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হয়েছেন এবং এখনও যাদের ওপর অত্যাচার চলছে,তারা যাতে ভারতে এসে দ্রুত নাগরিকত্ব পান,তার জন্য এনআরসি অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন,দেশে বর্তমানে প্রচুর অনুপ্রবেশকারী ও বিদেশি নাগরিক রয়েছে। এনআরসি প্রক্রিয়া চালু হলে এদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে,যা সাধারণ ভোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক মহলের মতে,২৯-র লোকসভা নির্বাচন এবং ২৭ ও ২৮-এর বিভিন্ন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই হিন্দুত্ববাদী শিবির নতুন করে এনআরসি ইস্যুকে রাজনৈতিক ময়দানে আনতে চাইছে।এনআরসি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধলে তা শেষ পর্যন্ত বিজেপির মেরুকরণের রাজনীতিতেই সাহায্য করবে এবং হিন্দু ভোটাররা বিজেপির পক্ষে আসবেন বলেই মনে করছেন আরএসএস-র শীর্ষ নেতৃত্ব।শুধু আরএসএস নয়, আগামী দিনে তাদের বিভিন্ন শাখা সংগঠনও এই এনআরসির দাবিতে সরব হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
