গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ-খুনের মামলায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে গুলি চালানোর পর পাল্টা গুলি চালানো হয়।
মোস্তাক আহমেদ জমাদার,মানুষের মতামত:উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় নতুন মোড়। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল মামলার মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের পর ফেরার পথে এক পুলিশ আধিকারিকের রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, গুলিবিদ্ধ প্রহ্লাদকে দ্রুত বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। ঠিক কী পরিস্থিতিতে গুলি চলেছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার কথা।লক্ষ্মীপুজোর দিন সকালে গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। শনিবার রাতে বান্ধবীদের সঙ্গে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি সে। পরদিন এক আত্মীয়ের বাড়ির পিছনে শৌচাগারের কাছ থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে প্রহ্লাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
কয়েক মাস আগে বারুইপুরেও নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের মামলায় ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছিল সিআইডিকে। গাইঘাটার ঘটনাতেও পুলিশের গুলি চালানোর পরিস্থিতি এবং কীভাবে অভিযুক্তের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র এল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকেই এখন নজর।

