কলকাতার ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে ‘মাইনোরিটি সিটিজেন ফোরাম’-র সম্মেলনে ধর্মীয় বিভাজন,পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে বক্তব্য রাখল আরএসএস নেতৃত্ব।
নাজমুল হাসান,মানুষের মতামত:কলকাতার ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত ‘মাইনোরিটি সিটিজেন ফোরাম’-এর সেমিনারে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক যোগাযোগ নিয়ে বার্তা দিল আরএসএস নেতৃত্ব। ২ অক্টোবরের এই অনুষ্ঠানে বঙ্গ আরএসএসের প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনে সঙ্ঘ বিশ্বাস করে না। তাঁর বক্তব্য, মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলেই বিভাজনের জায়গা তৈরি হয়।
বিপ্লব রায়ের দাবি, মুসলিম সমাজের একাংশের সঙ্গে অতীতে আরএসএস কর্মীদের দূরত্ব থাকলেও সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে। এখন একে অপরের বাড়িতে যাতায়াত এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি বলেন, সমাজের জন্য কাজ করাই আরএসএসের অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের আহ্বায়ক শাহিদ আখতারও হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রথমে সমাজকে হিন্দু-মুসলিম হিসেবে ভাগ করা হয়, পরে প্রতিটি সম্প্রদায়ের মধ্যেও বিভিন্ন গোষ্ঠী ও উপগোষ্ঠীর বিভাজন তৈরি হয়। এই বিভাজনের প্রভাব গোটা দেশের উপর পড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সংখ্যালঘু নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর এই বার্তা ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
