নিম্নচাপ ও টানা বৃষ্টিতে রসলপুর নদীর জলস্তর বাড়তেই কাঁথি-২ ব্লকের আমতলিয়ায় বাঁধ ভেঙে প্লাবন। জল ঢুকেছে ধানজমি, মৎস্য খামার ও সবজি চাষের জমিতে।
রাজকুমার বেরা,মানুষের মতামত:নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর জলস্তর।এরই মধ্যে রসলপুর নদীর বাঁধের একাধিক জায়গায় ধস নেমে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে কাঁথি-২ ব্লকের আমতলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। জল ঢুকেছে মৎস্য খামার, ধানজমি ও সবজি চাষের জমিতে। নদী সংলগ্ন বেশ কয়েকটি পরিবারকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জলনিকাশি ব্যবস্থা কার্যত অপ্রতুল। ফলে প্রতি বছর বর্ষায় জলযন্ত্রণায় পড়তে হয় বাসিন্দাদের।স্থানীয় বাসিন্দা দীপক কুমার সাউ “মানুষের মতামত”- কে জানান,দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামে জল নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল।গত বছরও একই সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। রামসংখ্যার মাইতির অভিযোগ,বাঁধ ও নিকাশি—দুই ব্যবস্থাই যথাযথ নয়। নোনা জল ঢুকে চাষাবাদ ও বাড়িঘরের ক্ষতি হচ্ছে, অনেকেই বাড়ি ছাড়ছেন।নিতাই মাইতির রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন,পুকুরের মাছ, ধান ও অন্যান্য ফসল নষ্ট হচ্ছে।তাই একটি স্থায়ী সমাধানের পথ করে দিলে গোটা গ্রামবাসী উপকৃত হবে!
গত বছরও পূর্ব আমতলিয়া প্লাবিত হয়েছিল। ২০২১ সালের ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের পরও বাঁধ সংস্কারের কাজ যথাযথভাবে হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে পরিস্থিতি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। বিডিও দফতরের আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় বিধায়ক সুমিতা সিনহা জানিয়েছেন, এলাকা পরিদর্শন করে বাসিন্দাদের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
