পশ্চিমবঙ্গের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মহিলা কর্মীদের ইপিএফে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিপূরণ,নতুন কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বাড়াতে একাধিক সুবিধার ঘোষণা।
সার্থক দাসগুপ্ত,মানুষের মতামত:নতুন সরকার গঠনের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই বাংলার শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করলেন তিনি। বিনিয়োগ টানা,নতুন কর্মসংস্থান তৈরি,ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং পিছিয়ে পড়া এলাকায় শিল্প গড়ে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই নীতিতে।নতুন শিল্পনীতিতে কর্মসংস্থান বাড়াতে নিয়োগকর্তাদের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।যোগ্য কর্মীদের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার দেওয়া ইপিএফের একটি অংশ ফেরত দেবে রাজ্য সরকার।মহিলা কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে থাকছে বাড়তি সুবিধা।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রে যোগ্য মহিলা ও রূপান্তরকামী কর্মীদের জন্য নিয়োগকর্তার ইপিএফ অবদানের ১০০ শতাংশ এবং পুরুষ কর্মীদের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ প্রতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সুবিধা মিলবে ১০ বছর পর্যন্ত।অন্যদিকে,২০০-র বেশি কর্মী থাকা যোগ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে মহিলা কর্মীদের জন্য ৭৫ শতাংশ এবং পুরুষদের জন্য ৫০ শতাংশ ইপিএফ প্রতিপূরণের সুযোগ থাকছে। এই সুবিধার মেয়াদ পাঁচ বছর।
শিল্পে বিনিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করতেও একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে।সিঙ্গল উইন্ডো পোর্টালের মাধ্যমে একটিমাত্র আবেদনেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যবস্থা থাকবে। বিনিয়োগ স্থির হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট অব ইনটেন্ট এবং উৎপাদন শুরুর পর ৪৫ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন শিল্পনীতির মাধ্যমে বাংলায় বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে চাইছে রাজ্য সরকার। তবে সমস্ত আর্থিক সুবিধাই নির্দিষ্ট যোগ্যতা, সরকারি অনুমোদন ও শর্তসাপেক্ষে কার্যকর হবে।
