মহারাষ্ট্রে অজিত পাওয়ারের এনসিপিতে ভাঙনের জল্পনা। অমিত শাহের সঙ্গে প্রফুল্ল প্যাটেল ও ছগন ভুজবলের যোগাযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সঞ্জয় রাউতের। অভিযোগ অস্বীকার করলেন প্রফুল্ল প্যাটেল।
দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা তথা সাংসদ সঞ্জয় রাউত দাবি করেছেন যে, অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি গোষ্ঠীর একাধিক প্রবীণ নেতা ইতিমধ্যেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছেন।
সঞ্জয় রাউতের দাবি, প্রফুল্ল প্যাটেল ও ছগন ভুজবলের মতো প্রবীণ নেতাদের ওপর অজিত পাওয়ারপন্থী এনসিপির সভানেত্রী সুনেত্রা পাওয়ারের বর্তমানে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তারা সরাসরি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদানের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে রাউত অভিযোগ তোলেন।তবে সঞ্জয় রাউতের এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রফুল্ল প্যাটেল। তিনি পাল্টা জবাবে স্পষ্ট জানান যে, দলে কোনো ধরনের ভাঙনের বা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয় নেই। কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যেই তারা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন; এর সঙ্গে দলবদল বা ভাঙনের খবরের কোনো সত্যতা নেই।
এদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস বিরোধী শিবিরের (উদ্ধবপন্থী শিবসেনা ও শরদ পাওয়ারপন্থী এনসিপি) নেতাদের সঙ্গেও কৌশলগত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল বাস্তবায়ন এবং আসন পুনর্বিন্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হলে সেখানে সমর্থন জোগাড় করতেই এই গোপন রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
