মুখ্যমন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ২০২৬ সালের খরিফ মরসুমে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় পশ্চিমবঙ্গে ৩২ লক্ষ কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণের উদ্যোগ।
স্টাফ রিপোর্টার,মানুষের মতামত:বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কঠিন পরিস্থিতিতে কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা দিতে প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা (PMFBY)-র আওতায় পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের খরিফ মরসুমে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩২ লক্ষ কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নথিভুক্তির ফলে দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত বিমার আওতায় আনতে গত আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হয়। বিশেষত পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি এবং ঝাড়গ্রামে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কৃষক এই প্রকল্পের আওতায় এসেছেন।
জেলা ভিত্তিক নথিভুক্তির তথ্য:-
পূর্ব মেদিনীপুর: ৭.২৩ লক্ষ কৃষক
পশ্চিম মেদিনীপুর: ৪.৭৩ লক্ষ কৃষক
হুগলি: ১.৬৮ লক্ষ কৃষক
ঝাড়গ্রাম: ৪২ হাজার কৃষক
কৃষকদের প্রিমিয়ামের বোঝা কমাতে ১ হেক্টর পর্যন্ত জমির ক্ষেত্রে মাত্র ১ টাকা এবং ১–২ হেক্টর জমির ক্ষেত্রে একর প্রতি ১০০ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাকি প্রিমিয়ামের সিংহভাগ রাজ্য সরকার বহন করছে। আগস্টের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণের লক্ষ্যে ‘মিড-সিজন অ্যাডভার্সিটি’ মূল্যায়ন দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে!ঋণগ্রহীতা কৃষকদের নথিভুক্তির সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
