এক খুন,দীর্ঘ তদন্ত,তারপর আদালতের রায়—শ্রীকান্তের জন্য কী সাজা?
ধূপগুড়ির খুনের মামলায় শ্রীকান্ত রায়কে মৃত্যুদণ্ড দিল জলপাইগুড়ি আদালত। তাঁর দুই নাবালক সন্তানের ২১ বছর বয়স পর্যন্ত দেখভালের দায়িত্ব প্রশাসন ও ডিস্ট্রিক্ট লিগাল এইড ফোরামকে দেওয়ার নির্দেশ।
আমিনুল হক,মানুষের মতামত:ধূপগুড়িতে নৃশংস খুনের মামলায় বড়সড় সাজা ঘোষণা করল জলপাইগুড়ি আদালত। বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, জলপাইগুড়ির তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত অভিযুক্ত শ্রীকান্ত রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার পরেও নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন শ্রীকান্ত। তদন্তে একাধিক তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন এসআই ধনঞ্জয় মজুমদার। আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মামলায় সরকারি আইনজীবী হিসেবে প্রণবজিৎ ওরফে পিন্টু কুমার দেব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। একই সঙ্গে অভিযুক্তের দুই নাবালক সন্তানের ২১ বছর বয়স পর্যন্ত দেখভালের দায়িত্ব জেলা প্রশাসন ও ডিস্ট্রিক্ট লিগাল এইড ফোরামকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
