সুনীল বানসালের বারবার বাংলা সফর, রাজ্য নেতৃত্বের কাছে বার্তা কী?পালাবদলের পর কি বাড়ছে অস্বস্তি?
পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে গ্রেফতারি, রাজনৈতিক অভিযোগ এবং বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজর—কী ঘটছে বাংলায়?
দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:পশ্চিমবঙ্গের ৪ঠা মে সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনের পর যে ফলাফল এসেছে ও তার ভিত্তিতে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বে রাজ্যে পালাবদল হয়েছে।কিন্তু পালাবদলের পর রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে। দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তথা অন্যতম জাতীয় সম্পাদক সুনীল বানসাল এর মধ্যে বেশ কবার রাজ্যে ঘুরে গেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন অংশে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে তিনি উদ্বেগ গোপন করেননি। জানিয়েছেন দলের রাজ্যনেতাদের। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যে ব্যর্থ তা নিয়ে দলের অন্দরেই বিজেপির বড় অংশ মনে করছে।একইভাবে স্থানীয় আরএসএস নেতারাও পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে তারা ত্রিপুরার ছায়া দেখতে পাচ্ছেন।
ত্রিপুরায় ২০১৮ সালের ও ২৩ সালে দু-দুবার ক্ষমতায় আসার পর যেভাবে রাজ্যে বিজেপি জোরজবরদস্তি রাজনৈতিক ক্ষমতা ভোগ করছে,হিংসা সন্ত্রাসের রাজনীতি চালাচ্ছে তা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কিন্তু পরিস্থিতির কোনো বদল হয়নি। ২৩ এর বিধানসভা নির্বাচনে কানের পাশ দিয়ে তিপ্রামোথার সমর্থনে কার্যত বিজেপি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে। ত্রিপুরার চেয়েও খারাপ মডেল চলছে পশ্চিমবঙ্গে। ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক ঘটনা ঘটছে।
রাজ্যে দুটি উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি সরব হয়েছে যে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে, নির্বিচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে এমনকি নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানকে ১৯ বছর আগের মামলায় আটক করে জেলে পোরা হয়েছে। রেজিনগরে হুমায়ুন কবিরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির একাধিক নেতা এমনকি একজন নির্দল প্রার্থীকেও গ্রেফতার করে পুলিশ সন্ত্রাস তৈরি করার চেষ্টা করছে। কংগ্রেস সিপিএম ও মমতা পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে রেজিনগরে মুসলিম প্রধান এলাকায় পুলিশি অভিযান চালানো হচ্ছে এবং মুসলিমদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। শুধু উপনির্বাচনই নয় রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে হিংসার ঘটনা তৈরি হচ্ছে,সন্ত্রাস তৈরি হচ্ছে। এতদিন সিপিএম আক্রমণের লক্ষ্য ছিল না। ইদানীং সিপিএমের একাধিক পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে।
