বর্ষা শেষের মুখে দেশের ১৭৮টি গুরুত্বপূর্ণ জলাধারে মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ৭০% জল রয়েছে। ১০ বছরের গড়ের তুলনায় জলমজুত কম হওয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ।
স্টাফ রিপোর্টার,মানুষের মতামত:বর্ষার শেষলগ্নে দেশের সামনে উঠে এল জলের নতুন চিন্তা।বৃষ্টির মরশুম প্রায় শেষ,কিন্তু দেশের গুরুত্বপূর্ণ জলাধারগুলিতে প্রত্যাশা অনুযায়ী জল জমেনি। কেন্দ্রীয় জল কমিশন (CWC)-র তথ্য অনুযায়ী,২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের ১৭৮টি গুরুত্বপূর্ণ জলাধারে মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ জল রয়েছে। এই পরিমাণ গত ১০ বছরের একই সময়ের গড় ৭৬.৬২ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। গত বছর একই সময়ে জলাধারগুলিতে জল ছিল প্রায় ৭৯ শতাংশ। এর প্রভাব শুধু জলাধারের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ নয়।এই জলই বহু মানুষের পানীয় জল, কৃষিকাজ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ফলে বর্ষার শেষে জলভাণ্ডারে ঘাটতি থাকলে আগামী দিনে কৃষক থেকে শহরের সাধারণ মানুষ—বিভিন্ন স্তরেই তার প্রভাব পড়তে পারে।
সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ ভারতে।অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা,কর্নাটক, কেরল ও তামিলনাড়ুর জলাধারগুলিতে মোট ধারণক্ষমতার মাত্র ৫০ শতাংশের মতো জল রয়েছে। গত বছর একই সময়ে এই হার ছিল ৮৭.২৫ শতাংশ। ওই অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টিও প্রায় ২৩ শতাংশ কম হয়েছে। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতেও ছবিটা পুরো স্বস্তিদায়ক নয়।অসম, বিহার,ঝাড়খণ্ড, মেঘালয়,মিজোরাম, নাগাল্যান্ড,ওড়িশা, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের ৩১টি জলাধারে মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ৭৩ শতাংশ জল রয়েছে। এই অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় মরশুমি বৃষ্টির ঘাটতিও রয়েছে!দেশজুড়ে চলতি বর্ষায় স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। জুন ও আগস্টে বৃষ্টির ঘাটতি বিশেষভাবে চোখে পড়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের পর বর্ষা বিদায় নেওয়ার কথা থাকায় জলাধারগুলিতে বড়সড় উন্নতির সুযোগও কম। আজকের এই বর্ষা শেষের মুখে দেশের জলভাণ্ডারে টান! ১৭৮ জলাধারে ১০ বছরের তুলনায় কম জল বর্ষার শেষলগ্নে দেশের সামনে উঠে এল জলের নতুন চিন্তা। বৃষ্টির মরশুম প্রায় শেষ, কিন্তু দেশের গুরুত্বপূর্ণ জলাধারগুলিতে প্রত্যাশা অনুযায়ী জল জমেনি। কেন্দ্রীয় জল কমিশন (CWC)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের ১৭৮টি গুরুত্বপূর্ণ জলাধারে মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ জল রয়েছে। এই পরিমাণ গত ১০ বছরের একই সময়ের গড় ৭৬.৬২ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। গত বছর একই সময়ে জলাধারগুলিতে জল ছিল প্রায় ৭৯ শতাংশ।
এর প্রভাব শুধু জলাধারের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ নয়। এই জলই বহু মানুষের পানীয় জল, কৃষিকাজ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ফলে বর্ষার শেষে জলভাণ্ডারে ঘাটতি থাকলে আগামী দিনে কৃষক থেকে শহরের সাধারণ মানুষ—বিভিন্ন স্তরেই তার প্রভাব পড়তে পারে।সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ ভারতে। অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, কর্নাটক, কেরল ও তামিলনাড়ুর জলাধারগুলিতে মোট ধারণক্ষমতার মাত্র ৫০ শতাংশের মতো জল রয়েছে। গত বছর একই সময়ে এই হার ছিল ৮৭.২৫ শতাংশ। ওই অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টিও প্রায় ২৩ শতাংশ কম হয়েছে।
পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতেও ছবিটা পুরো স্বস্তিদায়ক নয়। অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ওড়িশা, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের ৩১টি জলাধারে মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ৭৩ শতাংশ জল রয়েছে। এই অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় মরশুমি বৃষ্টির ঘাটতিও রয়েছে। দেশজুড়ে চলতি বর্ষায় স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। জুন ও আগস্টে বৃষ্টির ঘাটতি বিশেষভাবে চোখে পড়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের পর বর্ষা বিদায় নেওয়ার কথা থাকায় জলাধারগুলিতে বড়সড় উন্নতির সুযোগও কম। আজকের এই পরিসংখ্যান তাই ভবিষ্যতের জন্য একটি সতর্কবার্তা—বর্ষা এলেও জল ধরে রাখা যাচ্ছে কতটা,সেই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।পরিসংখ্যান তাই ভবিষ্যতের জন্য একটি সতর্কবার্তা—বর্ষা এলেও জল ধরে রাখা যাচ্ছে কতটা, সেই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
