যোগী-ধামী থেকে বিহার:মোদী-শাহের নতুন ছক,একাধিক রাজ্যে বদলাতে পারে নেতৃত্ব!

নিজস্ব প্রতিবেদক, মানুষের মতামত: দেশজুড়ে চলমান জেএনজি আন্দোলন, সম্ভাব্য কৃষক আন্দোলন এবং বিরোধী জোটের তৎপরতায় উদ্বেগ বেড়েছে বিজেপির জাতীয় নেতৃত্বের মধ্যে। দলীয় সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও মনে করছেন, কয়েকটি রাজ্যে সংগঠন ও নেতৃত্বে পরিবর্তন জরুরি।
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও উত্তরাখণ্ডে বিধানসভা নির্বাচন। পাঞ্জাবে বিজেপির লড়াই কঠিন বলেই মনে করছে দল। সেখানে আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসের মধ্যেই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। উত্তরাখণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামীর বিরুদ্ধে দলের একাংশের অসন্তোষ বাড়ছে। তাঁর জনপ্রিয়তা কমছে বলেও দাবি উঠেছে।
উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের শিবির এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে মতবিরোধ নিয়েও চিন্তা রয়েছে। ছাত্র ও যুব আন্দোলনের প্রভাব বাড়ায় একাধিক বিধায়কের টিকিট বাতিল, তৃণমূল স্তরে নেতৃত্ব বদল এবং নতুন মুখকে সামনে আনার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা ও বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও বিজেপি নেতৃত্বের নজরে রয়েছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের পক্ষ থেকেও প্রতিষ্ঠানবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির বিষয়ে দলকে সতর্ক করা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
বিহারে নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বেড়েছে বলেও খবর। বিভিন্ন নির্বাচনী ফল ও বিরোধীদের বাড়তি সক্রিয়তা বিজেপির চিন্তা আরও বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ইন্ডিয়া জোট জেএনজি আন্দোলনের পাশাপাশি কৃষকদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে সংগঠন মজবুত করাই এখন বিজেপির প্রধান লক্ষ্য।
