বঙ্গে অচেনা নীরব ভোটারদেরকে পাখির চোখ বিজেপির
দিলীপ চট্টোপাধ্যায়,মানুষের মতামত:২৬-এর নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ,কেরালা, তামিলনাড়ুতে শুধু ভোট প্রাপ্তি ও আসন বাড়ানোই হল বিজেপির কৌশল। পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫০ শতাংশ বুথে সাংগঠনিক ভাবে অস্তিত্বহীন হলেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আশা ভরসা তাদের প্রতি অচেনা নীরব ভোটারদের সমর্থন।এ জন্য জোরালো ভাবে হিন্দুত্বের হাওয়া তুলতে মরিয়া বিজেপি।আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের বাংলা সফরের পর সংঘও মাঠে নেমেছে। নীরব ভোটারদের অব্যাহত সমর্থনকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি।
হাওড়ার উলুবেরিয়ায় আরএসএসের নিয়ন্ত্রিত ৫০টি হিন্দু সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বের বৈঠক হয়ে গেল। ৫০টি হিন্দু সংগঠনই ২৬-এ বঙ্গে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে মাঠে নামতে চলেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদ ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ,জনসংখ্যা চিত্রের পরিবর্তন ঠেকানোর পাশে হিন্দু একতার ডাক দিয়ে মাঠে নামছে। রাজ্যে প্রায় ১ কোটি হিন্দিভাষী হিন্দু ভোটারদের ভোটদান নিশ্চিত করার পাশে বাঙ্গালী হিন্দু উচ্চবর্ণ,ওবিসি, দলিত,উপজাতিদের মুসলিম বিরোধিতার লাইনে জোটবদ্ধ করতে মাঠে নামতে চলেছে বিজেপি।জোট,হিন্দুত্বই অস্ত্র। তাই রামনবমীতে জোর আরএসএস-বিশ্ব হিন্দু পরিষদের।
তৃণমূলস্তরে বুথ সংগঠনের খামতি মেটাতে চাইছেন বঙ্গ বিজেপি দলের নেতৃত্ব। তবে মুসলিম অধ্যুষিত বুথ, পঞ্চায়েত,ব্লকে যে সামান্যতম দাগ কাটা সম্ভব নয় তা বুঝেছেন দিল্লির গেরুয়া শিবিরের নেতারা। তাই শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙ্গন ঘটানো নয়,সিপিএম সহ বাম শিবির ও কংগ্রেসের হিন্দু উদ্বাস্তুদের নিজের দিকে টানার কৌশল নিচ্ছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে ৪৪-৪৫ শতাংশ ভোট পাওয়াই এদের লক্ষ্যে।