বাঙালির পাতে হস্তক্ষেপ?পুজোর খাবার নিয়েও ‘ফতোয়া’!
নবরাত্রিতে আমিষ না খাওয়ার পরামর্শ ঘিরে বিতর্ক।পাল্টা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বাঙালির দুর্গাপুজোর পাতে কী থাকবে,তা কোনও সাধু-সন্ত ঠিক করে দিতে পারেন না।

স্নেহাশীষ মুখার্জি, মানুষের মতামত: দুর্গাপুজো যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরালো হচ্ছে আমিষ-নিরামিষ বিতর্ক। নবরাত্রি উপলক্ষে আমিষ খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বাগেশ্বর ধামের পীঠাধীশ্বর ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী ওরফে বাগেশ্বর বাবা। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা।
পাল্টা জবাব দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, বাঙালির দুর্গাপুজোয় কে কী খাবেন, তা কোনও সাধু-সন্ত বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ঠিক করে দিতে পারেন না। বাঙালি নিজের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পছন্দ অনুযায়ী খাবার বেছে নেবে। অষ্টমীতে লুচি কিংবা নবমীতে কচি পাঁঠার মাংস—বাঙালির পুজোর খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই রীতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
দুর্গাপুজো বাঙালির কাছে শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি আনন্দ, মিলন ও সংস্কৃতির উৎসব। এই উৎসবে কেউ নিরামিষ খান, কেউ আমিষ—দুই অভ্যাসই দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি চলে আসছে। ফলে খাবারের পছন্দ নিয়েও কোনও বাইরের নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ পর্যন্ত বাঙালির পাতে কী থাকবে, সেই সিদ্ধান্ত বাঙালিই নেবেন—এমনটাই স্পষ্ট বার্তা শমীকের।
