সরকারি নির্দেশিকার বাইরে পুলিশের অতিসক্রিয়তা? মসজিদের মাইক ইস্যুতে ডিজিপির কাছে ব্যাখ্যা দাবি নওশাদ সিদ্দিকির!

নিজস্ব প্রতিবেদক, মানুষের মতামত: রাজ্যের একাধিক জেলায় মসজিদের পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম (মাইক) খুলে নেওয়া বা অপসারণের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজিপি)-র কাছে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দাবি করেছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর প্রশ্ন, সরকারি নির্দেশিকা যদি শব্দের মাত্রা, সময়সীমা ও নিয়ম মেনে মাইক ব্যবহারের কথা বলে, তবে সেই নির্দেশিকার গণ্ডির বাইরে গিয়ে পুলিশের এই অতিসক্রিয়তা কেন?
নওশাদের দাবি, বিভিন্ন জায়গায় নির্দিষ্ট অভিযোগ বা শব্দমাত্রা যাচাইয়ের আগেই মাইক খুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। তাই কোন আইনি বিধান বা প্রশাসনিক নির্দেশের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা রাজ্য পুলিশের স্পষ্ট করা উচিত। তিনি বলেন, আইন প্রয়োগের নামে যদি বৈধভাবে ব্যবহৃত পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম অপসারণ করা হয়, তবে তার যথাযথ কারণ জনসমক্ষে জানানো প্রশাসনের দায়িত্ব।
একই সঙ্গে তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশে শান্ত থাকার আবেদন জানিয়ে বলেন, কোনও প্ররোচনা, গুজব বা চক্রান্তে পা না দিয়ে আইনের উপর আস্থা রাখা উচিত। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হবে।
তবে নওশাদ সিদ্দিকির এই অভিযোগের বিষয়ে রাজ্য সরকার বা রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা এবং পুলিশের পদক্ষেপের ভিত্তি নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়।
