পার্কিং নিয়ে বৈষম্যের শিকার, প্রতিবাদ বিক্ষোভ থমকে সীমান্ত বাণিজ্য কয়েকশো পণ্য বাহী ট্রাক
হাসানুজ্জামান,মানুষের মতামত:এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার ভারত বাংলাদেশ ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত যেখানে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ট্রাক দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে এই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যায়। ২৫ বছর হয়ে গেছে এখনো পর্যন্ত এই সীমান্তে কোন সরকারি পার্কিং নেই ৮৪ টা বেসরকারি পার্কিং রয়েছে। কেউ মালিকের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে করেছেন আবার কেউ নিজের জমিতে পার্কিং জন করে নিজেরাই ব্যবসা করেন কিন্তু রাজ্যের অন্যান্য সীমান্ত বর্ডার বিশেষ করে মালদা মহাদিপুর সীমান্তে যেখানে ২৪ ঘন্টা পার্কিং চার্জ ৮০০ টাকা নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে ঘণ্টা পতি ২০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয়। সেখানে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত অর্ধেক অর্থাৎ ৪০০ টাকা। পাশাপাশি ১৬/৮ ২০২২ সালে রাজ্যের সুবিধা পোটালে ঘোজাডাঙ্গা পার্কিং অনার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন তাদের পার্কিং নাম নথিভুক্ত করেছিল।সেই সময় বলা হয়েছিল একটি পার্কিং চার্জ বাবদ টাকা জমা নেওয়া হচ্ছে সেগুলো আবার নির্ধারিত পার্কিং মালিকের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। প্রায় তিন বছর অতিক্রম করল করে গেছে, আজও প্রায় একচল্লিশ লক্ষ টাকা পার্কিং মালিকরা পাননি। সীমান্ত ২৯৫ বিঘার উপর মোট ৮৪ টা বেসরকারি পার্কিং রয়েছে এর সঙ্গে জড়িত মালিক কর্মচারী বলে আন্দোলন পাশাপাশি পরোক্ষভাবে ৪ হাজার মানুষ এই জীবিকার মধ্যে জড়িত দীর্ঘ তিন বছর ধরে যেমন একদিকে তাদের সুবিধা পোর্টালের জমানো অর্থ পাচ্ছেন না। এর জন্য ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিস্তারিত জানিয়েছেন অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দপ্তরের তারা বাই পোস্টে পুরো বিষয়টা জানিয়েছেন তার দপ্তরে এছাড়া জেলাশাসক মহকুমা শাসক সহ প্রশাসনিক কর্তাদের একাধিকবার জানিয়ে কোন ফল হয়নি।, তাই বাধ্য ৮৪ জন পার্কিং মালিক কর্মচারী সহ দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ভারত বাংলাদেশ ঘুরে ডাঙ্গা সীমান্তের চেকপোস্টের কাছে তারা চেয়ার মাইক বেঁধে ফেস্টুন লাগিয়ে অবরোধ বিক্ষোভ শুরু করেছেন। ঘটনাস্থলে বসিরহাট থানা গিয়েছে ঘোজাডাঙ্গা পারকিন অনার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি, নিত্যানন্দ মন্ডল সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও মিহির ঘোষ রা জানান রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি সীমান্তে পার্কিং রয়েছে যেখানে আমরা সম্পূর্ণ গত ২৫ বছর ধরে বেসরকারি পার্কিং নিজেরাই চালাচ্ছি,সেখানে আমরা অন্যান্য সীমান্তের থেকে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে সীমান্তের পার্কিং মালিকরা আমাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অন্যদিকে এর সঙ্গে যুক্ত থাকা তারা বিভিন্ন সময়ে পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছেন বিশেষ করে সীমান্তে পার্কিংয়ের নজরদারি চালাতে গিয়ে আমাদের খুব সমস্যা হচ্ছে এই এই কর্মসংস্থানের সঙ্গে প্রায় চার হাজার মানুষ যুক্ত যারা প্রতিদিন রুজি রোজগার এর থেকে হয় তারা ঠিকমতো মাসিক বেতন পাচ্ছেন না বলে পরিষেবা দিতে পাচ্ছেন না তাই তারা আজকে বাধ্য হয়ে খোজাডাঙ্গা সীমান্তে মাইক বেদে রাস্তার মধ্যে চেয়ার বসিয়ে বিক্ষোভে নেমেছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকারি ভাবে সূরা না হবে তাদের এই আন্দোলন চলবে এবং আগামী দিনের বৃহত্তম আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ঘোজা ডাঙ্গা পার্কিং অনার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীরা।