‘বিরোধী বলে বঞ্চনা নয়’, নবান্নে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দু সরকারের!!!

নিজস্ব প্রতিবেদক,মানুষের মতামত:রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রথমবার কলকাতা, হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকের মূল বার্তা ছিল— উন্নয়নের ক্ষেত্রে শাসক ও বিরোধী বিধায়কদের মধ্যে কোনও বিভাজন করা হবে না।
মঙ্গলবারের এই বৈঠকে বিজেপি বিধায়কদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের প্রায় ২০ জন বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও জাভেদ খান। সরকার গঠনের পর বিরোধী শিবিরের এত বড় প্রতিনিধিদলের প্রশাসনিক বৈঠকে যোগদান রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে কুণাল ঘোষ জানান, বেলেঘাটার উন্নয়ন, হাসপাতালের পরিকাঠামো ও হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত একাধিক দাবি তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন। উচ্ছেদের আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করারও আবেদন জানান তিনি। একইসঙ্গে কুণাল স্পষ্ট করে দেন, তাঁরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।
সূত্রের খবর, আসন্ন বর্ষাকে সামনে রেখে জল জমা, নিকাশি, বিপর্যয় মোকাবিলা ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা রোধের মতো বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল পুলিশের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ। শুভেন্দু অধিকারী জানান, বিরোধী বিধায়কদের ফোন এলে পুলিশকে তা গ্রহণ করতে হবে, অভিযোগ শুনতে হবে এবং প্রশাসনের অবস্থানও জানাতে হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ‘সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার’ বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ।
