‘ককরোচ জনতা পার্টি দেখেছেন,এবার ইয়ং বেঙ্গল দেখবেন’, চরম হুঁশিয়ারি মমতার
বিজেপি সরকারের চার মাসের শাসনে গণতন্ত্র বিপন্ন বলে অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা,ভুয়ো মামলা,তৃণমূল কর্মীদের উপর অত্যাচার ও ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি, রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।তার অভিযোগ, রাজ্যের গণতন্ত্র বিপন্ন রাজ্যজুড়ে পুলিশ ও গেরুয়া বাহিনীর আশ্রিত দুষ্কৃতকারীরা বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালাচ্ছে।
মমতার দাবি,রাজ্য পুলিশ এখন এমন ভাব দেখাচ্ছে যেন তারা ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানে না। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেই সমর্থকদের চরম পরিণতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মামলা ছাড়াই নিরপরাধ মানুষকে বেআইনিভাবে ভুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে আটক করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ঢুকে কম্পিউটার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি লুটপাট করা হয়েছে। তৃণমূলের চারজনকে ভেতরে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। মাত্র কয়েক গজ দূরে শেক্সপিয়র সরণিতে থানা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ হয় নিষ্ক্রিয় থেকেছে, নয়তো তাদের মাধ্যমেই এসব ঘটনা ঘটেছে।
তৃণমূলপ্রধান আরও বলেন,আপনারা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন দেখেছেন,কিন্তু বাংলার ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন কিংবা মা-বোনদের প্রতিবাদ এখনো দেখেননি। প্রয়োজন পড়লে এই বিরোধিতা এবার কলকাতা থেকে দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হবে।
রাজ্যে বিজেপি সরকারের চার মাস পূর্ণ হওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,চার মাস হয়ে গেলো তবুও ওদের হানিমুন পিরিয়ড যেন শেষই হচ্ছে না।
বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, ছোট দোকানদার ও হকারদের রুজি-রুটিতে আঘাত হেনে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ অত্যাচার যেভাবে চরমে উঠেছে, বাংলায় এমন পরিস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি। আজ যারা অন্যের দল ভাঙছে, তাদের মনে রাখা উচিত- একদিন তাদেরও একই পরিণতি ভুগতে হবে।
