বন্ধুত্বের পথে বাধা পাকিস্তান-চীন ঘনিষ্ঠতা? বাংলাদেশ নিয়ে সতর্ক নয়াদিল্লি!

দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছে বলে কূটনৈতিক মহলের একাংশের মত। মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের সময়ে বাংলাদেশে ভারতবিরোধী শক্তির সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর অভিযোগ ওঠে।
বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের আমলেও সেই প্রবণতা পুরোপুরি বদলায়নি বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। জামাতে ইসলামী ও এনসিপির মতো দলগুলির পাকিস্তান ও চীনঘেঁষা অবস্থান নয়াদিল্লির উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সীমান্ত, নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনার নতুন পথ খুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এর মধ্যেই বাংলাদেশের সেনা গোয়েন্দা সংস্থা DGFI-এর আধিকারিকদের ইসলামাবাদ সফর এবং পাকিস্তানের ISI কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের এই নতুন কৌশলগত অবস্থান ভবিষ্যতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেদিকেই নজর নয়াদিল্লির।
