শীতকালীন শাক-সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে কৃষিজ বিপণন বিভাগের উদ্যোগ: সরাসরি চাষীদের স্বার্থ সুরক্ষা
ইয়ামুদ্দিন সাহাজী,মানুষের মতামত:পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শীতকালীন সবজি ও আলুর ফলনের মরসুম শুরু হয়েছে। বাঁকুড়া,পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের জেলা গুলিতে নতুন আলু বাজারে আসতে শুরু করেছে।কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে রাজ্যের কৃষিজ বিপণন বিভাগ এবং নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি নতুন আলু কেনার জন্য রাজ্যের নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতিগুলির তত্ত্বাবধানে ৮৯টি প্রকিওরমেন্ট সেন্টার চালু করা হয়েছে। চাষীদের ন্যায্য দাম প্রদান নিশ্চিত করতে সুফল বাংলা বিপণি এবং স্থানীয় বাজারগুলিতে এই আলু বিক্রি করা হচ্ছে। নতুন আলু এখন কলকাতার বাজারে কেজি প্রতি ২২ থেকে ২৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পুরানো আলুর দাম ১ টাকা কমিয়ে ২৪ টাকা প্রতি কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফুলকপি, বাঁধাকপি সহ শীতকালীন সবজির দাম মাঠ পর্যায়ে কমে যাওয়ায় মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ সহ অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গের কৃষকরাও চাপে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুফল বাংলা এবং নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতিগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্য দামে সবজি কেনার জন্য।
চাষীদের স্বার্থ সুরক্ষায় উদ্যোগ: শীতকালীন সবজি এবং আলু ক্রয়ের মাধ্যমে কয়েকশো টন ফসল ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করা হয়েছে। কৃষকদের যাতে কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের কৃষিজ বিপণন বিভাগ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই উদ্যোগের ফলে বাজারে শাক-সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং চাষিরাও তাঁদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন। রাজ্যের এই উদ্যোগ সাধারণ ক্রেতা এবং কৃষক—উভয়ের জন্যই সুবিধাজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।