রাত ১১টার ফোন, খাবার ফেলে ছুট!বাঁচুক মা-শিশু:মানবিকতার নজির সুভাষের!
জন্মাষ্টমীর রাতে জরুরি ও নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজনে খাবার ছেড়ে কাঁথি ব্লাড ব্যাংকে ছুটে গিয়ে রক্তদান করলেন সুভাষ রায়। মানবিক উদ্যোগে আশার আলো মা ও শিশুর।

রাজকুমার বেরা,মানুষের মতামত:রাত তখন ১১টা। জন্মাষ্টমীর উৎসবে ব্যস্ত চারপাশ। সেই সময় ফেয়ার ফিল্ড এক্সলেন্স পরিচালিত এফএফই লিভিং ব্লাড ব্যাংকের কাছে আসে জরুরি রক্তের আবেদন। সন্তানসম্ভবা মামনি রানী মণ্ডলের দ্রুত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল, প্রয়োজন ছিল ও নেগেটিভ রক্তের।
খবর পেয়েই এগিয়ে আসেন লিভিং ব্লাড ব্যাংকের সদস্য সুভাষ রায়। তাঁর রক্তের গ্রুপও ও নেগেটিভ। সদ্য খেতে বসেছিলেন তিনি। কিন্তু এক মা ও তাঁর অনাগত শিশুর জীবন যখন তাঁর রক্তের অপেক্ষায়, তখন খাবার ছেড়েই ছুটে যান কাঁথি ব্লাড ব্যাংকে। সেখানে রক্তদান করেন তিনি।
জন্মাষ্টমীর শুভ রাতে সুভাষের এই উদ্যোগে এক মায়ের চিকিৎসা ও অনাগত শিশুর জীবন রক্ষার লড়াইয়ে তৈরি হয় নতুন আশার আলো।
এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন ফেয়ার ফিল্ড এক্সলেন্সের সভাপতি তেহেরান হোসেন, লিভিং ব্লাড ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুনীল দাস, প্রিয়ম দত্ত, মুস্তাক আলী খান ও জাভেদ জিসান।
