শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2026
| কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ
রাজনীতি

বঙ্গ মিডিয়ায় ‘বাম-অতিবাম’ অনুপ্রবেশ? পাল্টা অভিযানের ছক হিন্দুত্ববাদী শিবিরের

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে বঙ্গ মিডিয়ায় বাম-অতিবাম প্রভাব ও ‘আরবান নকশাল’ অনুপ্রবেশের অভিযোগ। বিজেপি-আরএসএস বিরোধী প্রচারের পাল্টা অভিযানের প্রস্তুতি ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক বিতর্ক ও জল্পনা।

দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের পর পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যমে বামপন্থী ও অতিবামপন্থী প্রভাব ও অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এই অভিযোগ তুলছেন মূলত হিন্দুত্ববাদী শিবির এবং তাদের অঙ্গ সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ,বিশ্ব হিন্দু পরিষদ প্রমুখেরা।

অভিযোগ উঠেছে যে, বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে এবং এমনকি সামাজিক মাধ্যমেও ব্যাপকভাবে বামপন্থী ও অতিবামপন্থী তৎপরতা বেড়ে যাচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টি ও আরএসএসের বিরুদ্ধে নানাভাবে অভিযান চালাচ্ছে এই বাম শিবির। শহুরে নকশালদের প্রভাব বাড়ায় উদ্বিগ্ন ভারতীয় জনতা পার্টি ও তাদের দলের নেতারা। তারা মনে করছেন যে, বঙ্গ মিডিয়ার বড় অংশই ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য মানুষের সামনে তুলে ধরছেন এবং অন্যায়ভাবে রাজ্যের নতুন সরকার ও ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বকে অপবাদ দিয়ে আক্রমণ করে চলেছেন।

সামাজিক মাধ্যমেও যে নকশালপন্থী ও মাওবাদীরা বিজেপি বিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তা নিয়েও নিশ্চিত হিন্দুত্ববাদী শিবির। বঙ্গ মিডিয়ার বড় বড় সংগঠনে ব্যাপক অনুপ্রবেশ ঘটেছে নকশালপন্থীদের। অবশ্য এই অনুপ্রবেশ আজকের নয়; বিগত ৩০ বছর ধরেই আরবান নকশালরা ও ‘দিমাগী’ নকশালরা বিভিন্ন বড় সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, অন্যান্য সামাজিক সংগঠন এবং এফএম রেডিওসহ বিভিন্ন জায়গায় অনুপ্রবেশ করেছে এবং ধারাবাহিকভাবে বিজেপি-আরএসএস বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে।

এই অভিযান বন্ধের ব্যাপারে হিন্দুত্ববাদী শিবির পাল্টা অভিযান শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বঙ্গ মিডিয়ার বড় অংশের সঙ্গে রাজ্য সরকারের বিরোধ বেঁধেছে তাদের বিজ্ঞাপন নীতি নিয়ে। রাজ্য সরকার ডিএভিপি-র রেটে বিজ্ঞাপন দেবার কথা বলার পর বড় বড় সংবাদ মাধ্যম ও বৈদ্যুতিন মাধ্যমগুলি বেঁকে বসেছে। এ নিয়ে এখন রাজ্য রাজনীতি ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে।

Share with

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।