শিক্ষা বাঁচাতে আন্দোলন হোক,সহিংসতা নয়,গণতন্ত্রের পথেই সমাধান:খোবায়েব আমিন!!!

নিজস্ব প্রতিবেদক, মানুষের মতামত:জাতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা (NEET)-র প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে চলা ছাত্র আন্দোলনের আবহে শুক্রবার কলকাতাতেও প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (SFI)। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের জন্য কলকাতা পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হলেও তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পরে ধর্মতলা-ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। আন্দোলনের এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। অভিযোগ ওঠে, পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতো, বোতল ও পাথর ছোড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। ঘটনায় কয়েকজন পুলিশকর্মী ও সাংবাদিক আহত হন।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। বিভিন্ন মহল শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুললেও, আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে।ইতিমধ্যে আজ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।
একইসঙ্গে আন্দোলনের ন্যায্য দাবিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বানও উঠে এসেছে।
এই প্রেক্ষিতে আল্লামা রুহুল আমিন ফাউন্ডেশন(ARAF) সংগঠনের সম্পাদক পীরজাদা খোবায়েব আমিন বলেন,”শিক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের আন্দোলন সম্পূর্ণ ন্যায্য এবং গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে এই আন্দোলনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা বা অশান্তি সৃষ্টি কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। প্রতিবাদ অবশ্যই অহিংস,শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে হওয়া উচিত।পুলিশ, সাংবাদিক বা সাধারণ মানুষের উপর হামলা কখনও কাম্য নয়। ছাত্রদের ন্যায্য দাবিগুলি প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই বিবেচিত হওয়া উচিত।
একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন,কিছু রাজনৈতিক দল নিজেদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করতে একটি ন্যায়সঙ্গত ছাত্র আন্দোলনকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে,যা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।”
