শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 11, 2026
20:24:02 | কলকাতা

বহুতলেই ‘অফিস’, ভিতরে রমরমিয়ে সাট্টা! ডানকুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৯

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

বহুতল আবাসনে অফিসের আড়ালে চলছিল জুয়া-সাট্টার কারবার। ডানকুনিতে পুলিশের যৌথ অভিযানে মূল পান্ডা সেখ মনসুর আলিসহ ৯ জন গ্রেফতার। উদ্ধার ১০৮টি মোবাইল ও নগদ ২.২৪ লক্ষ টাকা।

দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:বহুতল আবাসন ভাড়া নিয়ে একেবারে পেশাদার অফিসের মতো চলত জুয়া ও সাট্টার রমরমা কারবার! গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি ও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট এর যৌথ অভিযানে ফাঁস হলো সেই অন্তর্জাল। গ্রেফতার করা হয়েছে চক্রের মূল কারবারী সেখ মনসুর আলিসহ মোট ৯ জন সমাজবিরোধীকে।

বৃহস্পতিবার ডানকুনি থানায় আয়োজিত একটি সাংবাদিক বৈঠকে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডি সি ডি ডি রূপান্তর সেনগুপ্ত এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, অভিযুক্তদের ডেরা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, ১০৮টি মোবাইল ফোন, নগদ ২ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা, প্রিন্টার ও ক্যালকুলেটরসহ অন্যান্য সরঞ্জাম।

পুলিশ সূত্রের খবর, বুধবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডানকুনির চাকুন্দি এলাকার একটি বহুতল বাড়িতে হানা দেয় যৌথ বাহিনী। সেখান থেকেই হাতেনাতে ধরা পড়ে মূল প্রধান সেখ মনসুর আলি ও তার সহযোগীরা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শুধু ডানকুনি নয়, কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ছড়ানো ছিল এই সাট্টা চক্রের জাল।

ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়া, জগদ্দল, হুগলির উত্তরপাড়া, ডানকুনি এবং কলকাতার ইকবালপুর থানা এলাকায়। আদালতের নির্দেশে ধৃত ৮ জনকে জেল হেফাজতে পাঠানো হলেও, এই চক্রের শিকড় কত দূর ছড়ানো তা জানতে মূল পান্ডা সেখ মনসুর আলিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ডানকুনি থানার পুলিশ। পুলিশ নিশ্চিত যে, এই নেটওয়ার্কের পেছনে আরও কিছু বড় মাথা জড়িয়ে রয়েছে, যাদের খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে।

Share with

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।