খরাপ্রবণ অঞ্চল উন্নয়নে নতুন রূপরেখা,জল সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিতে জোর কেন্দ্রের
খরাপ্রবণ অঞ্চলকে নতুনভাবে গড়ার বার্তা কেন্দ্রের।জল সংরক্ষণ, ওয়াটারশেড উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষি,জীবিকা ও জলবায়ু সহনশীলতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার,মানুষের মতামত:খরাপ্রবণ এলাকাকে শুধু খরার সময় মোকাবিলা না করে দীর্ঘমেয়াদে জল, কৃষি ও জীবিকা রক্ষায় আরও শক্তিশালী করে তোলার উপর জোর দিল কেন্দ্র। দিল্লিতে আয়োজিত ড্রাই ল্যান্ড কংগ্রেস ২০২৬-র অনুষ্ঠানে এই বার্তা দেন ভূমি সম্পদ দফতরের সচিব নরেন্দ্র ভূষণ।
তিনি বলেন,খরাপ্রবণ এলাকা কোনও ‘অনুর্বর জমি’ নয়। জলবায়ুর পরিবর্তন ও অনিয়মিত বৃষ্টির কারণে এই এলাকার সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হয়। ভারতের প্রায় ৪৩ শতাংশ নিট চাষযোগ্য জমি বৃষ্টিনির্ভর এবং দেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ এখান থেকে আসে।
ভূষণ জানান, প্রধানমন্ত্রী কৃষি সিঞ্চাই যোজনার আওতায় গত ১২ বছরে ৭,৬০২টি জলাধার উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি ৪০ লক্ষ হেক্টর জমি এই প্রকল্পের আওতায় এসেছে। তৈরি বা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে প্রায় ৯ লক্ষ জল সংরক্ষণ কাঠামো। উপকৃত হয়েছেন প্রায় ৬০ লক্ষ কৃষক।
তিনি আরও জানান, নতুন ওয়াটারশেড পোর্টাল-এর মাধ্যমে ভূ-তথ্য ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জল ও জমি ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা হবে। তাঁর মতে, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণই এই প্রকল্পের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
