ব্রিকসের মঞ্চে মোদী-পুতিন-শি,দিল্লিতে বড় কূটনৈতিক সমীকরণ?
দুই যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই দিল্লিতে শুরু হচ্ছে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। মোদী-পুতিন, মোদী-শি বৈঠকের সম্ভাবনা। যুদ্ধ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা। ১৫ হাজার পুলিশ ও ২০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীতে কড়া নিরাপত্তা।

স্টাফ রিপোর্টার,মানুষের মতামত:দুই যুদ্ধকে ঘিরে উত্তেজনাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেই নয়াদিল্লিতে বসছে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। শনিবার থেকে শুরু হওয়া দুই দিনের এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সম্মেলনের মূল আয়োজন হবে ভারত মণ্ডপমে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর পৃথক বৈঠকে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং চলমান আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও মোদীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।
ছয় বছর পর ভারত সফরে এসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গালওয়ান সংঘর্ষের পর দীর্ঘ সময় ভারত-চীন সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিমান যোগাযোগ, ভিসা ব্যবস্থা ও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ফের সক্রিয় হয়েছে। ব্রিকসের ফাঁকে মোদী-শি বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।
যুদ্ধ,অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সহযোগিতা আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনের যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নানা বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর মতবিনিময় হতে পারে। ২০২৬ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে ভারত। সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর পাশাপাশি আমন্ত্রিত দেশগুলোকেও সম্মেলনে যুক্ত করছে নয়াদিল্লি।১৫ হাজার পুলিশ,২০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার দিল্লি পুলিশ সদস্য ও ২০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী। ৫০০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলবে। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের কনভয় চলাচলের সময় বিভিন্ন রাস্তায় সাময়িক যান নিয়ন্ত্রণ, ডাইভারশন ও বিধিনিষেধ জারি থাকবে।
