পুনর্বাসন হয়েছে, মেলেনি স্কুল-স্বাস্থ্যকেন্দ্র: বনছায়ায় ক্ষোভের আগুন!

তপন রায়,মানুষের মতামত:পুনর্বাসনের পর প্রায় দু’বছর কেটে গেলেও স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র না হওয়ায় ক্ষোভে সরব বনছায়া বস্তির বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, মৌলিক পরিকাঠামোর প্রতিশ্রুতি মিললেও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এখনও চরম ঘাটতি রয়েছে।
২০২৪ সালের মার্চে বক্সা টাইগার রিজার্ভের কোর এলাকা থেকে গঙ্গুটিয়া বস্তির ৬৬টি এবং ভুটিয়া বস্তির ১৭টি পরিবারকে বনছায়ায় পুনর্বাসন দেওয়া হয়। বর্তমানে রাস্তা, বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকলেও প্রাথমিক স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র এখনও তৈরি হয়নি। বাসিন্দাদের দাবি, নিকটবর্তী এই পরিষেবাগুলির অনেকটাই প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে।
এরই মধ্যে বাঘের নিরাপদ বিচরণ ক্ষেত্র তৈরির লক্ষ্যে জয়ন্তীর বাসিন্দাদের বনছায়ায় পুনর্বাসনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ফলে নতুন পরিবার আসার আগে পুরনো বাসিন্দাদের সমস্যার সমাধানের দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
কালচিনির বিধায়ক তথা স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামার দাবি, প্রাথমিক স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি হাইস্কুল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরুর আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
প্রশাসনের আধিকারিকদের পরামর্শে বাসিন্দারা কালচিনি বিডিওর কাছে লিখিত দাবিপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁদের প্রশ্ন, “পুনর্বাসন হয়েছে, এবার কি মৌলিক অধিকারও মিলবে?”
