তৃণমূলে ফের ভাঙনের জল্পনা!মমতা শিবিরের আরও ২ সাংসদ কি এবার সুদীপদের দলে?
তৃণমূলের মমতা-পন্থী শিবিরের আরও দুই সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দিতে পারেন বলে দাবি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জল্পনায় শত্রুঘ্ন সিনহা ও কীর্তি আজাদের নাম উঠলেও, মমতা শিবির তা গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার,মানুষের মতামত:তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলে মমতা-পন্থী শিবিরে এই মুহূর্তে লোকসভায় আট জন সাংসদ রয়েছেন। এর মধ্যে আরও দুই জন দল ছেড়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের গঠিত এনসিপিআই-তে যোগ দিতে পারেন বলে জোরদার জল্পনা শুরু হয়েছে।
এনসিপিআই নেতা তথা উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা শিবির থেকে আরও দুই জন লোকসভার সাংসদ তাঁদের দলে যোগ দিচ্ছেন। এই দলবদল কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র বলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন। তিনি আরও জানান যে এই সাংসদরা অতীতে পদ্ম শিবিরে ছিলেন। এর পরেই জোরদার চর্চা শুরু হয় শত্রুঘ্ন সিনহা ও কীর্তি আজাদের নাম নিয়ে। আসানসোলের বর্তমান সাংসদ হলেন শত্রুঘ্ন সিনহা এবং বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ হলেন কীর্তি আজাদ।
এই দুই জনের দলবদল নিয়ে জল্পনায় অবশ্য জল ঢেলেছে তৃণমূলের মমতা-পন্থী শিবির। দলের এক অভ্যন্তরীণ নেতা জানিয়েছেন, সুদীপ-কাকলিদের পক্ষ থেকে শুধুই গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কারণ তাঁরা নিজেরা কোণঠাসা অবস্থায় আছেন এবং তাঁদের সাংসদ পদ চলে যেতে পারে—এই সম্ভাবনা থেকেই এখন তাঁরা কাউন্টার অ্যাটাকে গেছেন। দলের যে সাংসদদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে, তাঁরা কেউই আর সংসদীয় দল ছাড়ছেন না।
একইভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রখ্যাত সাংবাদিক সাগরিকা ঘোষও অভিযোগ করেছেন যে নানাভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনও সম্পর্ক নেই। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ তথা দলের প্রথম সারির নেতা কীর্তি আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁকে নিয়ে রটা এই রাজনৈতিক জল্পনা সম্বন্ধে রাজনৈতিক মহল এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
