বন্দিদের ‘সুবিধা’র নামে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা? বালুরঘাট সেন্ট্রাল জেল ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ,হাইকোর্টে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার,মানুষের মতামত:বালুরঘাট সেন্ট্রাল জেল ঘিরে বন্দিদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া ও মাসে কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ। কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা,দু’সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্টের নির্দেশ। তৃণমূল সরকারের আমলে বালুরঘাট জেলকে ঘিরে ওঠা একাধিক গুরুতর অভিযোগ এবার পৌঁছে গেল কলকাতা হাইকোর্টে। অভিযোগ, জেলে ভালো খাবার, থাকার সুবিধা কিংবা অন্যান্য ‘বিশেষ সুবিধা’ পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েদিদের কাছ থেকে মাসে ৭ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হত। এমনকি এই প্রক্রিয়ায় মাসে প্রায় ৩৫-৪০ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগও উঠেছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। বিষয়টি খতিয়ে দেখে রাজ্যের জেলগুলিতে আর্থিক লেনদেন ও দুর্নীতির অভিযোগের রিপোর্ট দু’সপ্তাহের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।ফলে সংশোধনাগারের অন্দরমহলে কথিত ‘টাকার খেলা’ এখন সরাসরি আদালতের নজরে।বালুরঘাট সেন্ট্রাল জেলের আওতায় মালদা জেলা সংশোধনাগার, রায়গঞ্জ জেলা জেল এবং ইসলামপুর উপ-সংশোধনাগারও রয়েছে।সব মিলিয়ে প্রায় ১৫০০-২০০০ বন্দি থাকে বলে সূত্রের খবর।
তদানিন্তন বালুরঘাট সেন্ট্রাল জেলের সুপার ছিলেন দেবাশিস মণ্ডল,যিনি বর্তমানে বারুইপুরে কর্মরত বলে জানা গিয়েছে। তবে এই সমস্ত ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।আরও অভিযোগ,সেই সময় জেলের অন্দরে আসামি ও বন্দিদের উপর অমানবিক আচরণ ও অকথ্য অত্যাচার করা হত।সব অভিযোগের সত্যতা অবশ্যই তদন্তসাপেক্ষ। হাইকোর্টের নির্দেশের পর এখন নজর—জেলের অন্দরে সত্যিই কি চলত ‘সুবিধার বিনিময়ে টাকা’ নেওয়ার কারবার?
