সরকারি নির্দেশের আগেই গ্রামবাসীর উদ্যোগে বন্ধ ‘অবৈধ’ মাদ্রাসা!অর্থ সংগ্রহ নিয়ে একাধিক অভিযোগ
বসিরহাটের কঠুর এলাকায় সরকারি নির্দেশের আগেই গ্রামবাসীরা একটি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেন। মাদ্রাসার বৈধতা, অর্থ সংগ্রহ ও টাকার হিসাব নিয়ে উঠেছে একাধিক অভিযোগ।

হাসানুজ্জামান,মানুষের মতামত:সরকারি নির্দেশ আসার আগেই গ্রামবাসীদের উদ্যোগে বন্ধ করে দেওয়া হল একটি মাদ্রাসা। ঘটনাটি বসিরহাটের কঠুর এলাকার। স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুল রশিদ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মাদ্রাসাটি চালাচ্ছিলেন। তবে মাদ্রাসাটির সঠিক নাম ও বৈধতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, মাদ্রাসার নামে বিল ও প্রচারপত্র ছাপিয়ে বিভিন্ন এলাকা, ভিন্রাজ্য এমনকি বিদেশ থেকেও টাকা সংগ্রহ করা হত। সেই টাকার হিসাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে তাঁদের সন্দেহ।
আরও অভিযোগ, কয়েকজন পড়ুয়া ও আইসিডিএস কেন্দ্রের শিশুদের মাদ্রাসায় এনে তাঁদের ছবি তোলা হত। পরে সেই ছবি দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এক প্রাক্তন ছাত্রের দাবি, মাদ্রাসায় নিয়মিত শিক্ষকও ছিলেন না। ঘটনার পর গ্রামবাসীরা মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেন। এরপর থেকে আব্দুল রশিদকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয়দের দাবি। তাঁর বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
