বুধবার, অক্টোবর 21, 2026
04:19:03 | কলকাতা
সর্বশেষ সংবাদ

ঋতব্রত শিবিরের হলফনামা সংগ্রহে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন,স্ট্যাম্প পেপারের আকাল কি সেই কারণেই?

২৫ হাজার স্ট্যাম্প পেপার সরানোর অভিযোগ,কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা,অভিযোগ অস্বীকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিপ্লব চক্রবর্তী,মানুষের মতামত:তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার নিয়ে দুই শিবিরের লড়াই এবার নতুন বিতর্কে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূলের পক্ষে হলফনামা সংগ্রহ করতে পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে—এমনই অভিযোগ তুলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। এই অভিযোগ ঘিরে রাজ্যে ১০ ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারের আকাল দেখা দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে স্ট্যাম্প পেপারের ঘাটতির সঙ্গে হলফনামা সংগ্রহের কোনও সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত নয়।

মমতা শিবিরের সাংসদ দোলা সেনের অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ২৫ হাজার স্ট্যাম্প পেপার সংগ্রহ করে থানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে সাধারণ তৃণমূল কর্মী ও দলের সদস্য নন, এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকেও হলফনামায় সই সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই অভিযোগ জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের হয়েছে। মামলাকারীর দাবি, স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহে বাধা তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষও সমস্যায় পড়ছেন। অনুমোদিত স্ট্যাম্প বিক্রেতাদের উপর অলিখিত নির্দেশ জারি করে স্ট্যাম্প পেপার তুলে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ২০ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের বেঞ্চে মামলার শুনানির কথা ছিল।

দুই শিবিরের এই বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে তৃণমূলের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই পক্ষকে সমর্থনের হলফনামা ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। ২৬ অক্টোবরের সময়সীমা সামনে রেখে দুই শিবিরেই তৎপরতা বেড়েছে।

অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগগুলি খারিজ করে এগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। ফলে পুলিশের ভূমিকা, স্ট্যাম্প পেপারের সরবরাহ এবং হলফনামার সত্যতা—এই তিনটি বিষয়েই এখন নিরপেক্ষ তদন্ত ও আদালতের পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষের দাবিকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখা যায় না।

Share with

আরো পড়ুন -

নতুন সপ্তাহ,নতুন খবর - ‘মানুষের মতামত’

News paper

e-Paper পড়ুন