পশ্চিমবঙ্গে চার আইএএস আধিকারিকের দায়িত্বে রদবদল করল রাজ্য সরকার।ওঙ্কার সিং মীনা, মুক্তা আর্য,শশাঙ্ক শেঠি ও অরবিন্দ কুমার মীনার নতুন দায়িত্ব জানুন।
দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক স্তরে ফের রদবদল। নবান্নের জারি করা নির্দেশিকায় চার আইএএস আধিকারিকের দায়িত্বে পরিবর্তন করা হয়েছে। কৃষি, প্রাণিসম্পদ, সুন্দরবন বিষয়ক, আদিবাসী উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের প্রশাসনিক দায়িত্বে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে সরকারি কাজের গতি ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, কৃষি দপ্তরের সচিব পদে দায়িত্ব সামলানো আইএএস আধিকারিক ওঙ্কার সিং মীনাকে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের সচিব করা হয়েছে। অন্যদিকে, সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের সচিব পদ থেকে সরিয়ে আইএএস আধিকারিক মুক্তা আর্যকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম লিমিটেডের (WBSEDCL) চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আইএএস আধিকারিক শশাঙ্ক শেঠি। এর আগে তিনি নেতাজি সুভাষ প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল পদে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি, আইএএস আধিকারিক অরবিন্দ কুমার মিনাকে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা (MA & ME) দপ্তরের সচিব পদ থেকে সরিয়ে আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবান্নের নির্দেশিকায় সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নতুন দায়িত্ব গ্রহণের প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই রদবদলের ফলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির প্রশাসনিক পরিচালনায় কী পরিবর্তন আসে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।
রাজ্যে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে আধিকারিকদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হচ্ছে। সরকারি পরিষেবা, উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং দপ্তরগুলির কাজের সমন্বয় বাড়ানো প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে এই নির্দিষ্ট রদবদলের পিছনে কী প্রশাসনিক কারণ রয়েছে, তা নিয়ে সরকারি নির্দেশিকায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা না থাকলে অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।নতুন দায়িত্বে চার আধিকারিকের কাজ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির পরবর্তী পদক্ষেপের উপরই এখন নজর প্রশাসনিক মহলের।
