স্ট্যাম্প পেপার বিলি ও হলফনামা সংগ্রহে পুলিশি ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল সাংসদ ডোলা সেন। রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশকর্তাদের কাছে চিঠি,অনুলিপি নির্বাচন কমিশনেও।
সার্থক দাশগুপ্ত,মানুষের মতামত:দলের প্রতীক নিয়ে বিবাদের মধ্যেই এবার স্ট্যাম্প পেপার বিলি ও হলফনামা সংগ্রহকে ঘিরে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যসভার সাংসদ ডোলা সেনের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই মর্মে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের পাশাপাশি পুলিশকর্তাদের চিঠি দিয়েছেন তিনি। বিষয়টি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনকেও।
স্ট্যাম্প পেপার নিয়ে ডোলা সেনের অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্ট্যাম্প বিক্রেতাদের প্রায় ২৫ হাজার ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার জোগাড় করে সংশ্লিষ্ট থানার আইসি বা ওসিদের কাছে পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে। তাঁর দাবি, জেলাশাসকদের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হলেও তা লিখিতভাবে দেওয়া হয়নি। এই নির্দেশের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের এই সাংসদ। অবিলম্বে এমন কাজ বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের দ্বিতীয় দিক হল হলফনামা সংগ্রহ। তৃণমূলের দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনে চলা বিরোধের প্রসঙ্গ টেনে ডোলা সেন অভিযোগ করেছেন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ রায়ের পক্ষে হলফনামা জোগাড় করতে পুলিশ আধিকারিকদের কাজে লাগানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, বিভিন্ন থানার ওসি ও আইসিরা অ-তৃণমূল সদস্যদের কাছ থেকে হলফনামায় সই করানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন।এই অভিযোগ তুলে পুলিশকর্তাদের সতর্ক করেছেন ডোলা সেন। তাঁর চিঠিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের কাজ বন্ধ না হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের আইনি পরিণতির মুখে পড়তে হতে পারে।
দলের প্রতীক নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি এখনও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। তার মধ্যেই স্ট্যাম্প পেপার ও হলফনামা নিয়ে এই অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াল।তবে ডোলা সেনের তোলা অভিযোগের বিষয়ে রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির স্বাধীন সত্যতা যাচাইও করা সম্ভব হয়নি।
