পশ্চিমবঙ্গ-অসম সহ একাধিক রাজ্যে যুব সম্মেলন,জেন-জি-র দিকে আরএসএসের নজর
আরএসএসের শতবর্ষ উদযাপন ঘিরে দেশজুড়ে যুব সম্মেলনের উদ্যোগ। পশ্চিমবঙ্গ,অসমসহ বিভিন্ন রাজ্যে তরুণদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। দেশাত্মবোধ,জাতীয়তাবাদ ও চরিত্র গঠনে গুরুত্ব দিচ্ছে সংঘ।

দিলীপ চট্টোপাধ্যায়, মানুষের মতামত:ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির অন্যতম সেরা ও দক্ষ সংগঠন হলো রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। আজ থেকে শতবর্ষ আগে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতির ক্ষেত্রে আরএসএস এর যাত্রা শুরু হয়। কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের মতো এক ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা যোদ্ধা ও বিপ্লবী এই সংগঠন তৈরি করেন। এর লক্ষ্য ছিল তরুণ সমাজকে জাতির চরিত্র গঠনে কাজে লাগানো। তরুণদের মধ্যে চরিত্র তৈরি করা, দেশাত্মবোধ তৈরি করাই ছিল আরএসএস এর লক্ষ্য।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে এনজিওদের আন্দোলনের দাপটে যথেষ্ট কুণ্ঠা অবস্থায় মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার। নানা চাপে বেসামাল হয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত জেএনজিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। তিনি নিজে জেএনজিদের সঙ্গে তাদের নানা ক্ষোভ-বিক্ষোভ নিয়ে কথা বলেছেন। এর পরেই আরএসএস সিদ্ধান্ত নেয় শতবর্ষের আলোকে আরএসএস এর এবার দেশজুড়ে কর্মসূচিতে জেএনজিদের টেনে আনার চেষ্টা শুরু করা হবে।
সেই মতো দেশের সমস্ত রাজ্যে ব্লক, পঞ্চায়েত, পুরসভা এলাকায় ইতিমধ্যে কয়েক হাজার যুব সম্মেলন শুরু হয়ে গেছে। এতে আরএসএস জেএনজিদের কাছে টানার সুযোগ পেয়ে গেছে। প্রচুর জেএনজিরা আরএসএস এর বিভিন্ন যুব সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম সহ বিভিন্ন রাজ্যে, পূর্ব ভারত ও উত্তর-পূর্ব রাজ্যের বিভিন্ন রাজ্যে এই যুব সম্মেলন চলছে।
স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে সামনে রেখে জাতির চরিত্র গঠনের লক্ষ্যে জেএনজিদের কাছে টানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে দেশাত্মবোধ, জাতীয়তাবাদ ও হিন্দু জাতীয়তাবাদকে প্রসার করার লক্ষ্যে আরএসএস এর এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী সারা দেশে কয়েক হাজার যুব সম্মেলন হবে। প্রথমে তৃণমূল স্তরে হবে, তারপরে রাজ্যস্তরে।
