InternationalNewsRecent News

বাংলাদেশি পর্যটকদের আশায় দিন গুনছেন কলকাতার ব্যবসায়ীরা

দিলীপ চট্টোপাধ্যায়,মানুষের মতামত:বাংলাদেশে চলমান পরিবর্তন ও রাজনৈতিক সংকটের আবর্তে দিল্লী ঢাকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে চাপ বেড়েছে। ৫ই আগশট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও পরবর্তী সময়ে হিন্দু সহ সংখ্যালঘু ধর্মীয় জন গোষ্ঠী ও আওয়ামী লীগ, মুক্তি সংরাম ঘেঁষা উদারপন্থী মুসলিম সমাজের ওপরেও আক্রমণ তীব্র হয়ে উঠেছে। এরই প্রেক্ষিতে মোদী প্রশাসনের নির্দেশে ভারিতে আসা বাংলাদেশীদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি চলচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে দৈনিক ৫০০ বাংলাদেশি কে ভিসা দেবার নীতি নেয় ঢাকার বাংলাদেশ হাইকমিশন। ইদানীং তা বেড়ে ২০০০ করা হয়েছে। সর্বাধিক বাংলাদেশের পর্যটন পশ্চিমবঙ্গের পেট্রোপল সহ একাধিক সীমান্ত দিয়ে সরাসরি বিমানে কলকাতায় এসে থাকেন। তুলনামূলকভাবে পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় ত্রিপুরা, অসম, মেঘালয়ে বাংলাদেশের ভিসা পাওয়া বৈধ পর্যটকের সংখ্যা অনেক কম। দিল্লী ঢাকার কূটনৈতিক চাপান উতোরের মধ্যে বংলাদেশি ভিসার সংখ্যা ব্রিদ্ধিতে মধ্য কলকাতার ব্যাবসায়ীরা ২৫ এর নতুন বছরের আশার আলো দেখছেন।
তাদের আশা বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়লে শুধু কলকাতাই নয়। পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসা বাড়বে। শুধু পর্যটনই নয়, বে সরকারি অফিস, হাসপাতাল, নার্সিং হোমগুলিতে বাংলাদেশি রোগীরা এলে কলকাতায় বেসরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তার ব্যপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
নিউমার্কেট ও সন্নিহিত অঞ্চলে হোটেল বার, রেস্ট্রুরেন্ট ও বাংলাদেশি পর্যটকদের আগমনে বাণিরজ্যে নিশ্চিতবাবে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
নয়াদিল্লী তাদের কড়া ভিসা নীতি থেকে সরে আসবেন এই আশায় দিন গুঞ্ছেন কলকাতার বে সরকারি হাস্পাতাল, হোটেল ও নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। ২০২৫ সালের ১ল জানুয়ারী থেকে থমকে থাকা হোটেল, পরিবহন, , বেসরকারি স্বাস্থ ক্ষেত্রে আবার ইতিবাচক অরথনৈতিক প্রভাব পড়বে। বলেই মনে কুরছেন। কলকাতার হটেল , পর্যটন হাস্পাতাল ও পরিবহন ব্যবসায়ীরা।

Share with

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *